Ad Banner 468x60px

Address and phone number of Marriage Registrar Kazi Offices in Bogura district

Click here to find the address and contact number of different Marriage Registrar and Kazi in Bogura district.

Process and required papers for marriage and divorce registration.

Click here to know about the registration process of marriage and divorce, and which documents are needed to complete the registration process.

Latest information and news about the marriage and divorce registration process.

Click here to get informed about the latest rules, regulations and process of marriage and divorce registration. It is important to know about these things well ahead of finally getting registered.

Match Makers and other professional service providers

See who can help you professionally make match and other arrangements to successfully manage the marriage related affairs and events.

Islamic rules and practices relating to marriage and divorce

In solemnizing marriage or executing divorce Islamic regulations and practices are considered with high important. Get to know about your religious directives in this regard.

Government Laws and Regulations on marriage, divorce etc., and consequence of breach

As of the past and present, Governments have always gave importance on marriage and divorce registration; especially of under the Muslim Family Laws Ordinance. Breach of those laws may sanction heavy penalty. Knowing general information on these Govt. rules may help.

Showing posts with label বিবাহ. Show all posts
Showing posts with label বিবাহ. Show all posts

বিয়ের খরচ সীমিত করতে কী করবেন

আমাদের দেশে বিয়ে মানেই আনন্দ উৎসব, গেট টুগেদার ,খাওয়া দাওয়া, গান-বাজনা, মজা করা, নতুন কারো সাথে পরিচয় আরও অনেক কিছু। এই সব কিছুর মাঝে গুরুত্বপূর্ণ আর একটি জিনিস হচ্ছে বিয়েতে বর কনের কেনাকাটা । তারা বিয়ের আগের দিন, বিয়ে তে এবং রিসেপশনে কি কি পরবে। তার জন্য কেনাকাটা তো করতেই হবে। আমার ছোট ছোট স্কুলে পড়ুয়া কাজিন গুলোকে দেখি এখনি তারা বিয়ে তে কি পড়বে তা নিয়ে বিশাল চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে। তেমনি প্রত্যেকটা মানুষের অনেক দিনের ইচ্ছা থাকে বিয়ে তে তার পছন্দের ডিজাইন আর রঙের পোশাক পরবে, এভাবে সাজবে। সবাই তো আর বিয়ে তে অঢেল টাকা পয়সা খরচ করতে পারে না। তবুও একটু বুঝে শুনে চিন্তা ভাবনা করে চললে নিজের এতদিনের ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব সীমিত অর্থের মধ্যে ও। বিয়েতে সঞ্চয় নিয়ে লিখেছিলাম আগের আর্টিকেল টিতে। তা ‘সীমিত আয়ে বিয়ের খরচে কিছু টিপস’ নামক আর্টিকেল টি পড়লে জানতে পারবেন। এই আর্টিকেলে আমি চেষ্টা করবো চিন্তা ভাবনা এবং নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সীমিত অর্থে বিয়ে তে বর-কনের কেনাকাটায় কিছু টিপস দিতে । চলুন দেখে আসি


১. বর-কনের পছন্দে হোক তাদের কেনাকাটা
সাধারণত আমাদের দেশে ছেলেদের বাড়ি থেকে পাঠানো হয় বিয়ে তে মেয়ের পোশাক সহ বাকি আনুসঙ্গিক জিনিস পত্র। আর মেয়েদের বাড়ি থেকে পাঠানো হয় ছেলের পোশাক এবং আনুসঙ্গিক । অনেক পরিবারে রেওয়াজ থাকে যে তত্ত্ব পাঠানোর আগে কেউ ই দেখতে পারবে না কার জন্য কি কেনা হয়েছে। একটা মানুষ সারাজীবন স্বপ্ন দেখল বিয়ে তে লেহেঙ্গা পড়বে কিন্তু তাকে দেওয়া হল শাড়ি। ছেলে চাইল বিয়েতে পড়বে শেরওয়ানি তাকে দেওয়া হল পাঞ্জাবী । টাকা দিয়ে জিনিস কিনবেন সে জিনিস যদি পছন্দ না হয় তবে তো পুরো কেনাকাটা ই বৃথা । তাই সীমিত অর্থে যারা বিয়ের কেনাকাটা করতে যাচ্ছেন দুই পরিবার থেকেই কেনাকাটা করার সময় বর-কনে কে সঙ্গে নিয়েই যান।

২. পোশাক হোক সামর্থ্যর মধ্যে
বিয়ের শাড়ি সহ বৌভাত , গায়ে হলুদ এবং অন্যান্য শাড়ীর জন্য হয়তো বরাদ্দ রয়েছে মোট ৫০ হাজার টাকা কিন্তু আপনি গিয়ে হুট করে পছন্দ করে ফেললেন একটি শাড়ী ই ৩০ হাজার টাকা। তাহলে তো হবে না। সাধ হোক সাধ্যর মধ্যেই ।

৩. ভাড়ায় পোশাক
সাধারণত শুধু কাবিনের বিয়ে তে বর কে তার নিজের টাকায় ই পোশাক কিনে বিয়ে করতে যেতে হয়। তাই বলছি যদি আপনি শেরওয়ানি বা পাঞ্জাবী খুব বেশি একটা পরতে না পছন্দ করেন তবে শুধু একদিনের জন্য ভাড়া করতে পারেন পাঞ্জাবী অথবা শেরওয়ানি।

৪. পরিবারের গহনায় বিয়ে হোক
এই মুহূর্তে যদি বিয়েতে বউ কে খুব বেশি স্বর্ণ দেওয়ার সামর্থ্য না থাকে তবে আপনার পরিবারের স্বর্ণ অর্থাৎ আপনার মা অথবা বড় বোনের গহনা দিয়ে বিয়ে করে ফেলুন। কিন্তু স্বচ্ছতা অবশ্যই রাখবেন সম্পর্কে তাই তাকে আগেই জানিয়ে রাখুন পুরো ব্যাপারটি যে এই স্বর্ণ শুধুই বিয়ের দিনের জন্য তাকে দেওয়া হচ্ছে। তখন আপনাকে এখনই সব স্বর্ণ কিনতে হবে না।

৫. গোল্ড প্লেটেড গহনায় রিসেল ভেল্যু
এখন প্রায় সব বিয়ে তেই বউ দের এই গহনা পরতে দেখা যায়। অবশ্যই রিসেল ভেল্যু দেখে সাধ্যর মধ্যে গোল্ড প্লেটেড গহনা কিনুন।

৬. বিলাসিতা বাদ দিন
যখন দেখছেন আপনার কেনাকাটার জন্য অর্থ সীমিত তখন অযথা বিলাসিতা দেখিয়ে শুধুই দামী জিনিসের প্রতি ঝুঁকে পরবেন না। মনে রাখবেন প্রত্যেকটা জিনিস কেনার সময় যে দামী জিনিস ই সবসময় ভাল হয় না। সাধ্যর কথা ভেবে নিন।

৭. শুধুই প্রয়োজনীয় জিনিস
শুধুই প্রয়োজনীয় জিনিসই কিনুন। আপনি বিয়ে করতে যাচ্ছেন বলে যে প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় সব কিছুই কিনে ফেলতে হবে ব্যাপারটা এমন নয়। ধরুন কনে একেবারেই ভারী মেকআপ ব্যবহার করে না। তার জন্য কিন্তু বেস মেকআপ এর কিটস কেনা একেবারেই টাকার অপচয়। এরকম অনেক জিনিস আছে। যার জন্য জিনিস কেনা হচ্ছে যদি সে থাকে তবে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা থেকে বিরত থাকা যাবে।

৮. কেনাকাটায় অভিজ্ঞ কেউ
কেনাকাটায় অভিজ্ঞ খুব, এমন একজন মানুষ সাথে নিয়ে যান ।দরদাম করতে সুবিধা হবে আর আপনিও ঠকে আসবেন না বিয়ের বাজার করতে গিয়ে।

৯. পরিচিত দোকান অথবা দোকানীর পরিচিত কেউ
একটি অভিজ্ঞতা বলি। আমার ভাইয়ের বিয়েতে যখন শাড়ী কিনতে গেলাম যে শাড়ী আমাদের কাছে ২০ হাজার চাওয়া হয়েছিল পরের দিন ফাইনালি শাড়ী কিনতে দোকানীর পরিচিত একজন কে নিয়ে যাওয়ায় সে একই শাড়ী আমাদের কাছে চাওয়া হয়েছে ৮ হাজার। তফাৎ টা নিজেই বুঝে গেলেন।

১০. কয়েক দোকান ঘুরে কিনুন
কয়েক দোকান ঘুরে ঘুরে আপনার জিনিস পত্র কিনুন। ঘুরতে থাকুন দাম সম্পর্কে ধারণা হবে। ঘুরতে দেখলে দোকানীও ডাকবে আর একবার দাম বলে ঐ দামে অটুট থাকুন । দামে লাভ হলে আর মিলে গেলে দেখা যাবে আপনাকে দোকানী ঐ দামেই দিয়ে দিবে।

১১. জুতা কিনুন এক জোড়া ই
যেহেতু জুতা শাড়ির আড়ালে থাকায় ঠিকমত দেখাও যায় না তাই জুতা এক জোড়াই কিনুন। টাকার অপচয় করবেন না।

১২. লোক দেখানো বন্ধ করুন
আপনার অমুক বান্ধবির বিয়েতে গায়ে হলুদ, বিয়ে, বৌভাত ছাড়াও ৭-৮খানা শাড়ী দেওয়া হয়েছে; আপনি কেন দুটো পাবেন! লোকে কি বলবে? লোকে যাই বলুক তাদের কথা কানে নিবেন না। আপনার বন্ধুরা তার শ্বশুর বাড়ি থেকে ব্র্যান্ডেড ঘড়ি পেয়েছে আপনি কেন এই ঘড়ি পেলেন ? তাই বলে কনের বাবার উপর আপনি চাপ দিতে পারেন না শুধুই লোক দেখানোর জন্য। তাই লোক দেখানো বন্ধ করুন।

......... স্মার্ট কম্পেয়ার ডট কম

বিয়েতে বরের পোশাক

বিয়ের সাজ পোশাক নিয়ে সব সময় মেয়েদের আগ্রহ বেশি থাকে এটা আমরা সবাই জানি। তবে যেহেতু মেয়েটার বিয়ে হচ্ছে একজন পুরুষের সাথে তাকে তো হাল ফ্যাশনের সাজ পোশাক থেকে দূরে রাখা যায় না। একটা সময় ছিল যখন বর ও কনের জন্য কি কি পোশাক কেনা হচ্ছে সেটা বিয়ের দিনের আগে কেউ জানতে পারতো না। কিন্তু এখন দৃশ্যপট সম্পুর্ণ ভিন্ন। এখন বড় ও কনে নিজারেই পছন্দ করে ম্যাচিং করে তাদের বিয়ের পোশাক কিনে থাকেন। কনের যেমন বিয়ের জন্য পোশাকের একটা আলাদা আয়োজন থাকে বরের জন্যও এখন ঠিক তেমনটাই চলছে।
বরদের জন্য বলছি কনের মতো আপনার বিয়েও জীবনে একবারই আসবে তাই হেলাফেলা না করে এই দিনটিকে ইনজয় করুন। আর কনের সাথে ধোরে রাখুন সুন্দর কিছু মুহুর্ত, যা পরে হাজার চেষ্টা করে আর ফিরিয়ে আনতে পারবেন না।


বিয়ের দিন সাধারণত বরের জন্য ভারি কাজের পাঞ্জাবী অথবা শেরেওয়ানি হয়ে থাকে। আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন। তবে ভালো করবেন আপনি যদি কনের পোশাকে সাথে মিল রেখে পছন্দ করেন।
এখন হাল ফ্যাশনে ফ্লোরেন্ট প্রিন্টের বিয়ের পোশাক খুব চলছে। সেক্ষেত্রে  বর, কনে দুজনেই ফ্লোরেন্ট প্রিন্টের বিয়ের পোশাক বাছাই করতে পারেন। তবে পোশাকের কালারের ব্যাপারে নিজের রুচির ছোঁয়া থাকা চাই।
কনের পোশাকের রং যদি লাল বা মেরুন হয়ে থাকে তাহলে আপনি অফ হোয়াইট বা গোল্ডেন কারাল নিতে পারেন।
আর কনের পোশাক যদি অফ হোয়াইট বা গোল্ডেন বা মেরুন হয়ে থাকে তাহলে আপনি মেরুন বা কপার কালার নিতে পারেন।
আপনার যদি পছন্দের কোনো ডিজাইনার থেকে থাকে তাহলে আপনি আপনার ডিজাইনারকে দিয়ে আপনার পছন্দের বিয়ের পোশাকটি তৈরি করে নিতে পারেন।
নিজের সাজে রাজকিয় লুক আনতে চাইলে পাঞ্জাবি বা শেরেওয়ানির সাথে পরতে পারেন মুক্তার মালা।
বিয়েতে যে নিয়ম মেনে লাল বা সাদা পরতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। ভিন্ন কোনো পোশাক বা পাগড়ী দিয়ে আপনি আপনার বিয়েতে হতে পারেন সবার থেকে আলাদা।
শুধু পোশাকের দিকে নিজর দিনেই হবে না। কারণ পোশাকের থেকেও বড় যে জিনিসটা আপনার বড় হিসেবে প্রমাণ করবে সেটা হচ্ছে পাগড়ী। তাই অন্য সব কিছুর সাথে পাগড়ী বাছাইয়ে একটু নজর দিতেই হবে।
........... পরিবতন ডট কম

বিয়ের কার্ড

দিনবদলের সঙ্গে সঙ্গে নিমন্ত্রণের ধরনও বদলে গেছে। আজকাল বিয়ের কার্ডে অনেকেই নিজের পছন্দমতো নিরীক্ষা করতে চান। গতানুগতিক ডিজাইন থেকে বের হয়ে নতুন কিছু যোগ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনুষ্ঠানের সঙ্গে থিম মিলিয়ে ডিজাইন হতে পারে নিমন্ত্রণপত্রের। হলুদে রিকশা পেইন্ট, পদ্মফুল, সূর্যমুখী, ময়ূর, প্রজাপতি, রংধনু অথবা অনুষ্ঠানের থিম অনুযায়ী মোটিফ ও নকশা থাকতে পারে। বিয়ের কার্ডে বর-কনের কার্টুন ছবি, বিয়ের পোশাক, যেমন গাউন বা স্যুটের আদলে নকশা করা হচ্ছে। রিকশা পেইন্ট আর্ট অব বাংলাদেশের কর্ণধার ও ডিজাইনার মো. হাবিব বলেন, ‘রিকশা পেইন্ট করা বিয়ের কার্ড বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর-কনের চেহারার আদলে নকশা করা হচ্ছে বিয়ে বা হলুদের কার্ডে।’ পুরানা পল্টনের কার্ডবাজার ঘুরে দেখা গেল, মেহেদি সন্ধ্যা, গায়েহলুদ, বিয়ে, বউভাত—প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা নিমন্ত্রণপত্র সাজিয়ে রেখেছে কার্ড বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। মেহেদি সন্ধ্যা ও গায়েহলুদের কার্ডে লাল, সবুজ কিংবা হলুদ রঙের ক্লাসিক্যাল

কার্ডের বাহারি কালেকশন রয়েছে। বিয়ে ও বউভাতের জমকালো কার্ডে কাগজ, সিল্ক বা মসলিন কাপড়ের ফিউশন ডিজাইন হচ্ছে। কখনো আবার কাগজের কার্ডের ওপর রিবনের বদলে সিল্কের কাপড় দিয়ে বেঁধে বা বড় আকারের স্টোন বসিয়ে যোগ করা হচ্ছে বাড়তি বৈচিত্র্য। ব্যতিক্রম চাইলে পাবেন কাঠের কার্ড। পাতলা কাঠের ওপর খোদাই করা নকশা নিমন্ত্রণপত্রে ফুটে উঠবে রুচি আর আভিজাত্যের সমন্বয়। নিমন্ত্রণপত্রের সঙ্গে মিষ্টিমুখের যোগসূত্র ঘটাতে কিছু বিয়ের কার্ডে একপাশে কিছুটা অংশ খালি রেখে চকোলেট কিংবা ড্রাইফ্রুট বসিয়ে দেওয়া হয়। মনমতো নকশার নিখুঁত নিমন্ত্রণপত্র পেতে হাতে বেশ কিছুদিন সময় নিয়ে অর্ডার দিন।



.............. দৈনিক কালের কণ্ঠ

বগুড়ায় বিয়ের দেনমোহর ১০১টি বই

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ১০১টি বই দেনমোহরের একটি বিয়ে নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিয়েতে ছেলের বাবা ও মেয়ের মা উপস্থিত ছিলেন। বিয়ে রেজিস্ট্রির পর সবাইকে মিষ্টি মুখ করানো হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের কাজী জনাব আব্দুল হান্নানের মোকামে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের বর উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের গুয়াডহরী গ্রামের সামছুল ইসলামের ছেলে নিখিল নওশাদ; আর কনে সোনাতলা উপজেলার কামালেরপাড়া গ্রামের মোস্তাফিজার রহমানের মেয়ে সান্ত্বনা।

গোসাইবাড়ী বাজারে আব্দুল হান্নান কাজীর বাড়িতে যখন বিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয় তখন দেনমোহর হিসেবে বইয়ের কথা শুনে ছুটে আসেন এলাকার অনেকে। এমন দেনমোহরনার বিয়ে এই প্রথম দেখেছেন বলে তারা জানান।

বর নওশাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “১০১টি নীল পদ্ম তুলে দেব। নিজেই চেয়েছে বই। চায়নি কোনো অলঙ্কার। আজ ১০টি বই দিয়েছি; বাকিটা খুঁজে খুঁজে দেব।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা পথ দেখালাম, যৌতুক ছাড়া এবং দেনমোহর বই দিয়েও হতে পারে। আগামী প্রজন্ম এই পথ দেখুক। তবে চিকাশী ইউনিয়নের কাজী কেন বিয়ে পড়াল না এটেই আমার প্রশ্ন।”

এর আগে চিকাশী ইউনিয়নের কাজী হেলালুর রহমানকে কাছে বিয়ে পড়াতে গেলে তিনি দেনমোহর ‘বই হতে পারে না’ জানিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি করেননি।

হেলালুর রহমানের ভাষ্য, “নগদের ঘরে নাক ফুল, গহনা লেখা আছে – বই লেখা নেই, তাই বিয়ে রেজিস্ট্রি করিনি।”

গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের কাজী আব্দুল হান্নান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, কোনো সম্পত্তি, সম্পূর্ণ দেনমোহর বা উপহার অংশ বিশেষের পরিবর্তে প্রদত্ত হয়েছে কিনা বিয়ে রেজিস্ট্রি ফরমে এমন একটি ঘর আছে। সে অনুযায়ী দেনমোহর বাবদ ১০১টি বই; যার মূল্য ধরা হয়েছে দুই লাখ টাকা। বরের প্রস্তাবে কনে রাজি হয়েছেন।


সূত্র- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

প্রকাশিত : 16 Sept 2022

বিয়ের শাড়ি কেনাকাটা

যদিও মূল্য দিয়ে কিনতে হয় তবুও বিয়ে মানেই মেয়েদের প্রধান অমূল্য সম্পদ বিয়ের শাড়ি। বিয়েতে কনের জন্য লাল, সাদা, নীল, মেরুন, ভারী কাজের শিফন, জামদানি, বেনারসি বা জর্জেট শাড়ি থাকতে পারে। তবে বিয়ের শাড়ি মানেই লাল শাড়ি সবার আগে মনে পড়ে। তবে আজকাল শাড়ির মধ্যে কমলা বা সবুজ রঙের শাড়িও রাখতে পারেন। কনের বিয়ের বেনারসি, শিফন, জর্জেট ও জলপাই রঙের শাড়িসহ বিয়ের সব শাড়ির দাম পড়বে ৫ হাজার থেকে আপনার সামর্থ অনুযায়ী।
আজকাল ঢাকার অনেক ফ্যাশন হাউজগুলোতে এখন অন্যান্য পোশাকের সাথে বিয়ের শাড়ির আয়োজনও রাখছে।

আড়ং থেকে বিয়ের শাড়ি নিতে চাইলে ৭,৩৯০.৪৮ টাকা থেকে ১৪,৬৫৭.১৪ টাকার মাঝে পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে সুতি, সিল্ক, জামদানী, মুসলিন ও নকশীকাঁথা। আর আপনি চাইলেই এই শাড়িগুলো অনলাইন থেকে ঘরে বসেই অর্ডার করতে পারবেন।
এছাড়া ঢাকার মিরপুরে বেনারসি পল্লীতে গেলেই আপনি পাবেন বিয়ের শাড়ির বিশাল সমাহার। যা আপনি অন্য কোথাও পাবেন না। এখানে বিয়ের শাড়ি আপনি ৫০০০ টাকা থেকে ২,০০,০০০ টাকা বা তারো ওপরে দামে পাবেন। সেখানে গেলে আবশ্যই হাতে সময় নিয়ে যাবেন।  দাম দর করে কেনা কাটা করবেন।
আর আমাদের সকলের পরিচিত নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, এবং ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটেও পাবেন বিয়ের শাড়ির বিশাল সমাহার। এখানেও আপনি আপনার সামর্থের মাঝে কেনাকাটা করতে পারেন বিয়ের শাড়ি ও আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র। এখানেও দাম ৫০০০ টাকা থেকে বিভিন্ন দামের শাড়ি পাবেন।
........... পরিবতন ডট কম
বিয়ের আগে ফিট ও সুন্দর থাকার সহজ ডায়েট টিপস-

বিয়ের আগে নিমন্ত্রন, বন্ধুদের সাথে ঘোরাফেরা ইত্যাদি নানা কারনে প্রচুর খাওয়া দাওয়া হয়। প্রত্যেকের শারীরিক গঠন অনুযায়ী ডায়েট চার্ট ও ফিটনেস প্ল্যান মানা উচিত। আপনি যদি খুব রোগা হন বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকে তা হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে খাওয়াদাওয়া ও ব্যায়াম করুন। কীভাবে ডায়েট ও ফিটনেস প্ল্যান করলে ফিট থাকতে পারবেন জেনে নিন।

প্রাথমিক প্রস্তুতি

১। বিয়ের একমাস আগে থাকেই নিজের ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করুন। একমাসে মাঝেমধ্যে একদিন বেশি খেয়ে ফেললে চিন্তার কোন কারন নেই। ভাত ও রুটির পরিমান একটু কমিয়ে দিন সালাদ বেশি করে খান। ব্যায়াম করার সময় একটু বাড়িয়ে দিন।

২। বাইরে খাওয়া দাওয়া করলে সাথে সালাদ খাওয়ার চেষ্টা করুন। ডুবো তেলে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকুন।

৩। সারাদিন বাইরে থাকতে হলে ড্রাই ফ্রুটস সাথে নিয়ে নিন। হেলদি স্ন্যাকস হিসেবে ভালো হবে। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। বাইরের কোন খাবার খেলে প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। সারাদিনে খুব বেশি চা বা কফি না খাওয়াই ভালো।

৪। নানা রকমের সবজির তরকারি রাখুন খাদ্য তালিকায়। আলুর সাথে অন্যান্য সবজিও যেন যথেষ্ট পরিমানে থাকে সেদিকে নজর রাখুন। দুপুর ও রাতের খাবারে বেশি করে সবজি রাখুন।

৫। একই ধরনের ফল খেতে বিরক্ত লাগতে পারে। তাই সব রকমের ফল খেতে পারেন।

৬। প্রতি খাবারের সাথে সালাদ খাওয়ার চেষ্টা করুন। ফিট তো থাকবেনই, সাথে ত্বক, চুল ও নখও ভালো থাকবে।

৭। ভাত বা রুটি যেকোন একটি বেছে নিন। ভাত ও রুটি একসাথে খাবেন না। প্রোটিন জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

৮। রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

৯। সপ্তাহে তিন দিন যোগব্যায়াম করুন ও ৬ দিন ৩০-৪০ মিনিট করে ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন।


.............. দৈনিক খোলামন

বিয়ের গাড়ি সাজানো

বিয়ের মৌসুমে বরের গাড়ি সাজাতেও ফুলের ব্যবহার হয়। এক দশক আগেও কাগজের ফুল দিয়ে সাজানো হত বরের গাড়ি। কিন্তু বর্তমানে কাগজের ফুল দিয়ে আর গাড়ি সাজানো হয় না। প্রাকৃতিক ফুলে দিয়েই সাজানো হয় বরের গাড়ি।


দেশী-বিদেশী নানা বাহারি ফুলে গাড়ি সাজাতে আপনাকে খরচ করতে হবে ১৫০০ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত।
.............. দৈনিক যুগান্তর

বিয়ের মঞ্চ সাজানো

বর-কনের মতোই বিয়ের আরেকটি আকর্ষণ হচ্ছে বিয়ের মঞ্চ। বর-কনে একসঙ্গে সেই মঞ্চে বসে থাকে। আর বিয়েটা মূলত সেই মঞ্চেই অনুষ্ঠিত হয়। যাঁরা গায়ে হলুদের মঞ্চ এবং বাসরঘর সাজান, তাঁরাই বিয়ের মঞ্চ সাজিয়ে দেন। বিয়ের মঞ্চ সাধারণত তাজা ফুল দিয়ে সাজানো হয়। মঞ্চে কিছুটা বৈচিত্র্য আনতে অল্প কিছু কৃত্রিম ফুলও ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া লাল সালু কাপড় ও টিস্যু কাগজ ব্যবহার করা যায়। ডিজাইনভেদে বিয়ের মঞ্চ সাজাতে খরচ পড়বে দুই হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

.............. দৈনিক খোলামন